রাজশাহী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (ডিসিফুড) বিরুদ্ধে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ বিভাজনে অনিয়মের অভিযোগ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি সঠিক নয়,মিথ্যা,ভিত্তিহীন,মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত দাবি করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা খাদ্য বিভাগ।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২০২৬ বোরো মৌসুমে বোরো ধান ছাঁটাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা চালকল মিলকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা। কিন্তু অদৃশ্য কারণে জেলার অটো চালকল মিলকে ধান ছাঁটাইয়ের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই অভিযোগ সঠিক নয় নীতিমালায় অটো চালকলকে প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ফলে যেখানে অটো চালকল নাই সেখানকার ধান অন্য এলাকার অটো চালকল থেকে ছাঁটাই করানো হয়।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ পেতে প্রত্যেক মিল মালিককে আনুঃপাতিক হারে ঘুষ দিতে হয়েছে। যা সঠিক নয় সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কোনো গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ৭ হাজার ৩০ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। যা নীতিমালা অনুসরণ করে ছাঁটাই করানো হচ্ছে। এখানে অবৈধ লেনদেনের কোনো সুযোগ নাই, কেউ প্রমাণ করতেও পারবে না।
এদিকে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে অফিসের প্রধান সহকারী(বড় বাবু) ও খাদ্য পরিদর্শক দীর্ঘদিন যাবত একই কর্মস্থলে রয়েছেন বলে যা দাবি করা হয়েছে যা সঠিক নয়, এছাড়াও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে।
এছাড়াও সংবাদে বলা হয়েছে, একটি চক্র গুদাম থেকে ভালো মানের ধান ছাঁটাইয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তার পরিবর্তে বাহির থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের মোটা ও বিভিন্ন প্রকল্পের পুরাতন চাল দিচ্ছে এটাও ভিত্তিহীন ও মনগড়া, কারণ গুদামে চাল ঢোকানোর আগে প্রতিটি বস্তার চাল পরীক্ষা যাচাই করা হয়।
অন্যদিকে ডিবি হারুনের মতো ভাতের হোটেল চালুর কথা বলা হয়েছে যা সত্যি নয় ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে দুপুরে খাবারের কোনো ব্যবস্থা নাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে খাদ্য বিভাগ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে একের পর এক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার করছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২০২৬ বোরো মৌসুমে বোরো ধান ছাঁটাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা চালকল মিলকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা। কিন্তু অদৃশ্য কারণে জেলার অটো চালকল মিলকে ধান ছাঁটাইয়ের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই অভিযোগ সঠিক নয় নীতিমালায় অটো চালকলকে প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ফলে যেখানে অটো চালকল নাই সেখানকার ধান অন্য এলাকার অটো চালকল থেকে ছাঁটাই করানো হয়।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে ধান ছাঁটাইকরণের বরাদ্দ পেতে প্রত্যেক মিল মালিককে আনুঃপাতিক হারে ঘুষ দিতে হয়েছে। যা সঠিক নয় সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কোনো গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ৭ হাজার ৩০ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। যা নীতিমালা অনুসরণ করে ছাঁটাই করানো হচ্ছে। এখানে অবৈধ লেনদেনের কোনো সুযোগ নাই, কেউ প্রমাণ করতেও পারবে না।
এদিকে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে অফিসের প্রধান সহকারী(বড় বাবু) ও খাদ্য পরিদর্শক দীর্ঘদিন যাবত একই কর্মস্থলে রয়েছেন বলে যা দাবি করা হয়েছে যা সঠিক নয়, এছাড়াও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি এটা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে।
এছাড়াও সংবাদে বলা হয়েছে, একটি চক্র গুদাম থেকে ভালো মানের ধান ছাঁটাইয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তার পরিবর্তে বাহির থেকে হাইব্রিড নিম্মমানের মোটা ও বিভিন্ন প্রকল্পের পুরাতন চাল দিচ্ছে এটাও ভিত্তিহীন ও মনগড়া, কারণ গুদামে চাল ঢোকানোর আগে প্রতিটি বস্তার চাল পরীক্ষা যাচাই করা হয়।
অন্যদিকে ডিবি হারুনের মতো ভাতের হোটেল চালুর কথা বলা হয়েছে যা সত্যি নয় ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে দুপুরে খাবারের কোনো ব্যবস্থা নাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একটি বিশেষ গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে খাদ্য বিভাগ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে একের পর এক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার করছে।
আলিফ হোসেন